মহান আল্লাহরাব্বুল আল্আমীন এর নাম সরণ করে এবং আমাদের আখেরী নবী খাদেমুল আম্বিয়া সাইয়্যদুল মুরছালিন মহান আল্লাহরাব্বুল আল্আমীন এর প্রিয় দুস্ত হযরত মোহাম্মদ মুস্তফা (সাঃ) এর প্রতি দরূদ ও সালাম পেশ করে মাদরাসার আদি থেকে বর্তমান ইতিহাস লেখা শুরু করছি। ফুলবাড়ীয়া পৌরসভাটি একটি ঐতিহ্যবাহী শহর । এ শহরে বিগত ব্রিটিশ আমলে ১২/০১/১৯৪৪ ইংরেজী তারিখে মরহুম আল্হাজ মৌলভী আব্দুল কদ্দুছ,মরহুম আল্হাজ মাও মোঃ আব্দুল হামিদ ও মরহুম আল্হাজ মাওঃ মোসলেহ উদ্দিন সাহেবর উদ্দ্যেগে ইসলাম শিক্ষার নিমিত্তে একটি দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়। তখন অত্র এলাকার বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি মরহুম মোকছেদ আলী সরকার সাহেব ইসলাম শিক্ষার নিমিত্তে একটি দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ৮৯.০০ শতাংশ জমি দান করেন। তখন থেকেই ইসলামের দ্বীনি শিক্ষা প্রদানের প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়।এরপর দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যে সকল মহান ব্যক্তিবর্গ জমি দান করেছেন তারা হলেন :
{ মরহুম আল্হাজ আব্দুছ ছাত্তার মন্ডল, ফুলবাড়ীয়া, জমির পরিমান : ১৪.০০ শতাংশ,
{ মরহুম মুলুকজান বেওয়া,ফুলবাড়ীয়া, জমির পরিমান : ১৬.০০ শতাংশ,
{ মরহুম ইয়াছিন আলী সরকার, জোরবাড়ীয়া, জমির পরিমান : ১৯.৫০ শতাংশ,
{ মরহুম খেরু মন্ডল, ফুলবাড়ীয়া, জমির পরিমান : ১৩.০০ শতাংশ,
{ মরহুম আল্হাজ আশকর আলী,কৈয়ারচালা, জমির পরিমান : ১৩.০০ শতাংশ,
{ মরহুম মোকছেদ আলী সরকার, জোরবাড়ীয়া, জমির পরিমান : ১৭.০০ শতাংশ,
{ মরহুম দিলজান বেওয়া, চকরাধাকানাই, জমির পরিমান : ০৭.০০ শতাংশ,
{কাজী মনসুর আলী সাহেব (সচিব),ফুলবাড়ীয়া, জমির পরিমান:৩.২৫শতাংশ (মসজিদ)। পরলোকগত যে সকল দানবীর ব্যক্তিবর্গ এ প্রতিষ্ঠান উন্নয়নে আল্লাহ ওয়াস্তে দান করে গেছেন,আমরা তাদের রুহের কল্যান ও শান্তি কামনা করছি।
ফুলবাড়ীয়া কে.আই. ফাযিল মাদরাসা ০১/০৬/১৯৫৪ ইং তারিখ প্রথম স্বীকৃতি লাভ করে। এ মাদ্রাসার ক্রমবিকাশ ও উন্নয়নে রয়েছে অনেক শ্রম,প্রচেষ্টা ও সময়ের সম্মিলিত স্রোতধারা। আমাদের বর্তমান জাতীয় সংসদ সদস্য এডভোকেট আলহাজ মোঃ মোসলেম উদ্দিন সাহেব বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে চল্লিশ ফুট প্রশস্ত চারতলা ফাউন্ডেশন বিশিষ্ট এক তলা একটি
বিল্ডিং নির্মান করিয়াছেন। দাখিল,আলীম ও ফাযিল পরীক্ষার কেন্দ্র স্থাপনে অগ্রণী ভূমিকাও রয়েছে তাঁর। এ ছাড়াও আমাদের বর্তমান গভর্নিং বডির সম্মানিত সভাপতি জনাব ইমদাদুল হক সেলিম সাহেবের মাধ্যমে প্রস্তাবিত ৩টি টয়লেট,প্রতিষ্ঠানের পানি নিঙ্কাসনের জন্য চর্তুদিকে ড্রেনেজ,পুকুর ভরাট করে একটি ২টি ৪ তলা বিশিষ্ট বিল্ডিং নির্মাণ করেছেন।এছাড়া নতুন ভবন ও ছাত্রাবাস নির্মানকাজ দ্রুত গতিতে করার জন্য জাতীয় সংসদ সদস্য মহোদয় সাহেব এ.ডি.পি খাত থেকে অর্থ বরাদ্দ দিয়েছেন।
এ প্রতিষ্ঠানের সাবেক সহ-সভাপতি ও শিক্ষানুরাগী ব্যাক্তি মরহুম মকবুল হোসেন সাহেবের উদ্দ্যেগে আলীম বিজ্ঞান শাখা খোলা হয়, এ ব্যাপারে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন আমাদের বর্তমান জাতীয় সংসদ সদস্য এডভোকেট আলহাজ মোঃ মোসলেম উদ্দিন সাহেব । মাদ্রাসার দক্ষিণপাশের্¡ ১২০ ফুট চওড়া একটি টিনসেট ঘর,পূর্বপাশের্¡ পাঁচ রুমবিশিষ্ট একটি হাফবিল্ডিং ,উত্তর পাশের্¡ ছয় রুমবিশিষ্ট একটি পুরাতন বিল্ডিং ,তৎসংলগ্ম প্রসাশনিক ভবন (নতুন) এবং মাদ্রাসার চর্তুপাশের্¡ বাউন্ডারী দেয়াল ও মাদ্রাসার প্রধান ফটক (গেইট) রয়েছে।যা প্রথমে মরহুম মকবুল হোসেন সাহেবের উদ্দ্যেগে নির্মান হয়েছিল পরবর্তীতে গর্ভনিং বডির সম্মানিত সভাপতি জনাব ইমদাদুল হক সেলিম সাহেবের মাধ্যমে আরও সুন্দরভাবে নির্মিত হয় ।
মাদ্রাসা ময়দান ফুলবাড়ীয়া কেন্দ্রীয় জাতীয় ঈদগাঁহ মাঠ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এ ছাড়া মাদ্রাসায় রয়েছে একটি বিজ্ঞানাগার,কম্পিউটার ল্যাব,গ্রন্থাগার ও ক্রীড়া এবং স্কাউট কার্যক্রমের কক্ষ ররেছে। বিভিন্ন আনর্তজাতিক দিবস ও সেমিনারের জন্য রয়েছে একটি হল - রুম।
আমাদের মাদ্রাসার বর্তমান গভর্নিং বডির সম্মানিত সভাপতি জনাব এডভোকেট মোঃ ইমদাদুল হক (সেলিম) সাহেব দায়িত্ব নেওয়ার পর শিক্ষার গুনগত মান পূর্বের চেয়ে শতগুন বৃদ্ধি পেয়েছে। বিগত ৪ (চার) বছরের ফলাফলে এবতেদায়ী ৫ম সমাপনী,জেডিসি,দাখিল দশম শ্রেণী,আলিম ও ফাজিল পরীক্ষায় ২০০৯ - ২০১২ সালের পরীক্ষায় শতভাগ ছাত্র - ছাত্রী উত্তীর্ণ
হয়েছে। ২০১২ ,২০১৩ সালের দাখিল পরীক্ষায় ভাল ফলাফলের জন্য সরকার শিক্ষাম›ত্রনালয় থেকে গনিত ও ইংরেজী বিষয়ের শিক্ষকদের জন্য অতিরিক্ত ৪০,০০০/-(চলি¬শ হাজার) টাকা সম্মানী প্রদান করেন।এছাড়া ২০১৪ সালের দাখিল পরীক্ষায় ভাল ফলাফলের জন্য সরকার শিক্ষামন্ত্রনালয় থেকে শিক্ষকদের জন্য এক লক্ষ টাকা সম্মানী ভাতা এবং প্রতিষ্ঠানটিকে সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ‘কৃতিত্ব সনদ পত্র’প্রদান করেছেন।
তিনি আভ্যন্তরীন ভাবে বিশ ফুট প্রশস্ত একটি হাফ বিল্ডিং ঘর,পানি নিস্কাশনের জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা,তিনটি পাঁকা বাথ রুম,টিনসেট ঘরটির ফ্লোর, বাউন্ডারী দেয়াল ও গেইট পুনঃসস্কার করে মাদ্রাসাটির রূপ পুনঃরুজ্জিবিত করেছেন।এ ছাড়া তিনটি কম্পিউটার এবং মাদ্রাসার অভ্যন্তরীন আবাসন সরঞ্জামাদির ব্যাবস্থা করে মাদ্রাসাটি আধুনিক মাদ্রাসা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ভবিষ্যতে কামিল শ্রেণী ও ভোকেশনাল (কারিগরী) শাখা খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।
প্রতিষ্ঠা লগ্ম থেকে যে সকল আলেমেদ্বীন এ মাদ্রাসায় প্রধানের দায়িত্ব পালন করেছেন তাদের নাম ও কার্যকাল নিন্মে উপস্থাপন করা হলঃ
2 আলহাজ মাও মোঃ আব্দুল হামিদ (সুপারিণটেনডেন্ট) ১২.০১.১৯৪৪ইং --- ২৩.০৩.১৯৭৩
2মাওঃ মোঃ জুবাঈদ আলী (সুপার) ২৩.০৩.১৯৭৩ - --- ০৪.১০.১৯৭৮
2 আলহাজ মোঃ আলতাব হোসাইন (সুপার) ০৪.১০.১৯৭৮ ---- ০৫.০২.১৯৭৯
2মাওঃ মোঃ জুবাঈদ আলী (অধ্যক্ষ )০৫.০২.১৯৭৯ -------১০.০৮.১৯৮৩
2 আলহাজ মাওঃ মোসলেহ উদ্দিন অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত)১০.০৮.১৯৮৩ ------০১.০৮.১৯৮৫
2মাওঃ মোঃ জুবাঈদ আলী (অধ্যক্ষ )০১.০৮.১৯৮৫ -- ২৪.১০.১৯৮৮
2 আলহাজ মাওঃ ফজলুল করিম অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত)২৪.১০.১৯৮৮ -- ১৩.০৮.২০০৫
2 আলহাজ মাওঃ রিয়াজ উদ্দিন অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) ১৩.০৮.২০০৫ --- ২৬.০৪.২০০৮
2 মাওঃ মোঃ ইউনুছ আলী অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) ২৬.০৪.২০০৮ ----
ফুলবাড়ীয়া কে.আই. ফাযিল মাদরাসা প্রতিষ্ঠা লগ্ম থেকেই কৃতী শিক্ষার্থী তৈরীতে অবদান রেখে আসছে। বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড আয়োজিত কেন্দ্রীয় জেডিসি,দাখিল,আলীম ও ফাযিল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ মাদরাসা থেকে অনেক শিক্ষার্থী লেখাপড়া করে উত্তীর্ণ হয়ে পুলিশ কর্মকর্তা,শিক্ষক,ডাক্তার,ইঞ্জিনিয়ার ও বিচারকের দায়িত্বে নিয়োজিত আছে।
অনেক শিক্ষানুরাগী ব্যাক্তি মাদ্রাসার বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দায়িত্বে থেকে সার্বিক উন্নয়নে সহযোগিতা করেছিলেন এবং বিভিন্ন সময়ে মাদ্রাসার পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে নিয়োজিত থেকে যারা এ প্রতিষ্ঠানটি এগিয়ে নিয়ে যেতে সহায়তা করেছেন
তাদের মধ্যে অনেকেই এখন পর - জগতের বাসিন্দা। আমরা তাদের রুহের কল্যাণ ও মাগফেরাত কামনা করছি এবং যারা বেঁচে আছেন তাঁদের দীর্ঘায়ু কামনা করছি।
? পরিচালনা পর্ষদের সদস্য:
মরহুম ডাঃ গোলাপ আলী,আব্দুছ ছাত্তার মন্ডল,হাছেন আলী সরকার,মকবুল হোসেন,পানা খাঁ,
শিক্ষকঃ
মাওঃ আব্দুল হামিদ,মাওঃ মোসলেহ উদ্দিন, মাওঃ আবুবকর ছিদ্দিক, মাওঃ মকবুল হোসেন,আশরাফ আলী, মাওঃ জালাল উদ্দিন, বজলুর রহমান।
C অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকঃ
মাওঃ মোঃ ফজলুল করীম, মোঃ হাবিবুর রহমান।
ঐতিহ্যবাহী ফুলবাড়ীয়া কে.আই. ফাযিল মাদরাসা,ফুলবাড়ীয়া ১৯৪৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে অদ্যাবদি স্মহিমায়
মহিয়ান। প্রবাহমান স্রোতধারায় ফুলবাড়ীয়া বাসষ্ট্যান্ড সংলগ্ম এক একর ভূমির উপর অত্র প্রতিষ্ঠানটি স্থাপিত হয়।শিক্ষার্থীদের
কাছে স্বপ্নের মত বার মাস কেটে যায়। যে সকল কার্যক্রম অত্র প্রতিষ্ঠাননে ধারাবাহিক ভাবে পালিত হয় তা নিন্মে বর্নিত হলোঃ
বই বিতরণী অনুষ্ঠান : নতুন বছরের ১লা জানুয়ারী গভর্নিং বডির সভাপতি,সহ - সভাপতি,সদস্য ও সকল শিক্ষক মন্ডলীর উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ১ম শ্রেণী হইতে ৯ম শ্রেণীর ছাত্র/ছাত্রীদের মধ্যে সরকারের প্রদত্ত্ব বই সামগ্রী বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।
উদ্বোধনী ও পরিচিতি অনুষ্ঠান : নতুন বছরের ১লা জানুয়ারী গভর্নিং বডির সভাপতি,সহ - সভাপতি,সদস্য ও সকল শিক্ষক মন্ডলীর উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় পবিত্র কোরান শরীফ থেকে তেলওয়াতের মধ্যদিয়ে উদ্বোধনী ও পরিচিতি অনুষ্ঠান সূচীত হয়।এতে সভাপতিত্ব করেন অত্র অধ্যক্ষ,জনাব মোঃ ইউনুছ আলী সাহেব। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জনাব এ.কে.এম শামজ্জোহা।
নবীনবরণ অনুষ্ঠান: আলীম শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠান প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেয়া হয়।
ক্লাশ শুরু : নিয়মিতভাবে নতুন বছরের ১লা জানুয়ারী থেকে যথারীতি ক্লাশ শুরু হয়।সমস্ত শিক্ষকদের অংশগ্রহণ ও সকল
শিক্ষার্থীদের উপস্থিতে আনন্দ উচ্ছল পরিবেশে ক্লাশ শুরু হয়।
বৃক্ষরুপন কর্মসূচী : জুলাই ও অগাষ্ট মাসে স্কাউটার ও অন্যান্য ছাত্রদের নিয়ে বৃক্ষরোপন কাজ করা করা হয়।
স্কাউট কার্যক্রম: ২৪ (চব্বিশ) সদস্য বিশিষ্ট একটি সুসংগঠিত স্কাউট দল রয়েছে। এরা স্বাধীনতা ও বিজয় দিবসে জাতীয়
কুঁচ - কাঁওয়াজ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে।এ ছাড়া বিভিন্ন সেচ্ছাসেবক কার্যক্রম,জাম্বুরী ও টীকাদান কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করে
অত্র প্রতিষ্ঠাননের গৌরব বয়ে এনেছে।
আনর্তজাতিক মাতৃভাষা,বিজয় ও স্বাধীনতা দিবস : অত্র প্রতিষ্ঠাননে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শোক দিবস পালন করা হয়।
হামদ,নাথ ও কোরআন তেলওয়াত প্রতিযোগিতা : নিয়মিতভাবে হামদ,নাথ ও কোরআন তেলওয়াত প্রতিযোগিতায় জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করে শিক্ষার্থীরা কৃতিত্ব অর্জন করে প্রতিষ্ঠাননের গৌরব বয়ে এনেছে।
বার্ষিক মিলাদ মাহফিল : দাখিল,আলীম ও ফাযিল পরীক্ষার আগত উপলক্ষে গভর্নিং বডির সভাপতি,সহ - সভাপতি,সদস্য ও সকল শিক্ষক মন্ডলীর উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সকল শ্রেণীর ছাত্র/ছাত্রীদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় পবিত্র কোরান তেলওয়াতের মধ্যদিয়ে বার্ষিক দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠান উদ্যাপিত হয়।
শিক্ষা সফর : প্রতিবছর জানুয়ারী মাসে গভর্নিং বডির সদস্য,শিক্ষক মন্ডলী ও সকল শ্রেণীর ছাত্র/ছাত্রীদের অংশগ্রহণে বিশেষ স্থান নির্ধারন করে শিক্ষা সফর কার্যক্রম উদ্যাপিত হয়।
বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা: প্রতিবছর জানুয়ারী মাসে সকল শ্রেণীর ছাত্র/ছাত্রীদের অংশগ্রহণে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা কার্যক্রম উদ্যাপিত হয়।
বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর এ দেশের মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা চরম সরকারী অবহেলার শিকার হয়। কারন স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানকে এটা বুঝানো হয়েছিল যে,যুদ্ধচলাকালীন সময়ে মাদরাসায় শিক্ষিতরা স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থান
নিয়েছিল।সংকট নিরসন কল্পে মাদ্রাসা শিক্ষক নেতৃবৃন্দ ও বরেণ্য আলেমগণ বিশিষ্ট আওয়ামীলীগ নেতা জনাব মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশকে সঙ্গে নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করেন। দীর্ঘ আলোচনার পর আধুনিক বাংলাদেশ বির্নিমানে মাদরাসায় শিক্ষিতদের অংশগ্রহণ কল্পে সরকার পক্ষের দাবির প্রেক্ষিতে মাদরাসা শিক্ষার কারিকুলাম আধুনিকায়ন ও বিজ্ঞান শিক্ষা প্রচলনের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে মাদরাসা শিক্ষার প্রতি সরকারের বৈরীতার অবসান হয়।
অনেক শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি এ মাদরাসার প্রতি সু-দৃষ্টি থাকার কারনে অত্র প্রতিষ্ঠানটি সুশৃংলভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে এবং ভবিষ্যতেও চলবে।